শিক্ষা

“কাঁচা মরিচের রসগোল্লা” কোন রূপকথার গল্প নয় এটা বাস্তব ।

কেই বা না হেসেছেন সৈয়দ মুজতবা আলীর রসগোল্লার কথা মনে করে? মনে কি সেটি পড়ে একবারও?

তেমনি একটি মিষ্টান্নের গল্প শোনাবো এই পোস্টে । সেটি শুনে কেউ করতে পারেন বিদ্রুপ আবার কেউ রম্যগল্প মনে করে বিনোদন নিতে পারেন।

“কাঁচা মরিচের রসগোল্লা”

কি? নামটি শুনে অবাক লাগছে নিশ্চয়ই।

অবাক হওয়ার কিছু নেই। কুমিল্লায় একটি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা মরিচের সেই বিখ্যাত রসগোল্লা। রসে ভরা মিষ্টির মতোই হুবুহু দেখতে কিন্তু স্বাদ আর রঙটা একটু আলাদা।

নামটি হয়তো অনেকেই প্রথম শুনছেন “কাঁচা মরিচের মিষ্টি”। নাম হল মিষ্টি, কিন্তু স্বাদ হল ঝাল। কুমিল্লার রেলিস বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারির কর্ণধার মাসুদ খন্দকার মাস দুয়েক আগে রসগোল্লার এমন একটি ধরণ তৈরির উদ্যোগ নেন, যেটি “কাঁচা মরিচের মিষ্টি” নামে পরিচয় লাভ করে ।

শুরুতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয় বলে জানান মাসুদ খন্দকার জানান, অভিনব এই ঝাল স্বাদের মিষ্টি’র জনপ্রিয় করতে । ধীরে ধীরে স্বাদ বুঝে ঠিকই ক্রেতারা কিনতে শুরু করেন তা।

মিষ্টির সব উপাদানই এতে থাকে বলে জানান প্রস্তুতকারক । নতুনত্ব উপাদান হিসেবে যোগ করা হয়েছে মরিচ। এই কাঁচা মরিচের মিষ্টি’র প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা।

কুমিল্লা শহরে কাঁচা মরিচের রসগোল্লার রয়েছে সাতটি শোরুম। প্রতিটি শোরুমের মূল আর্কষণই হল এখন কাঁচা মরিচের রসগোল্লা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button