বানিজ্যফ্রিল্যান্সিং

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা

করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছে। মানুষ চাইলেও চাকরি করতে পারছে না। তাই মানুষ স্বল্প খরচ করে অনেক মুনাফা পেতে পারে। এজন্য এসব পদ্ধতি সম্পর্কে ধারনা থাকা জরুরি। বাংলাদেশে এমন অনেক কাজের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা যায়। এসব কাজের মাধ্যমে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা শুরু করে শেষ পর্যন্ত অনেক লাভবান হওয়া যায়। এরকম কয়েকটি পদ্ধতি জানা থাকলে টাকা উপার্জন করা কোনো ব্যাপারেই না।

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর কয়েকটি পদ্ধতি হলো-

পেঁয়াজের মৌসুমে পেঁয়াজের দাম খুব কম থাকে। তখন যদি আমরা কিছু পেঁয়াজ কোল্ড স্টোরেজে রেখে দেই তাহলে পরে অনেক দামে বিক্রি করা যাবে। এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি । এজন্য যে অনেকদিন রাখতে হবে তা নয়। মৌসুম শেষ হয়ে গেলেই দাম হু হু করে বাড়তে থাকে।বিশেষ করে মৌসুম শেষ হওয়ার ৫-৬ মাস পর এর দাম সবচেয়ে বেশি হয়।

আবার বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসলে পরে দাম কমে এজন্য সংগ্রহ করে রেখে দিলে ৫-৬ মাস পরে কয়েকগুন বেশি দামে বিক্রি করা যায়। এতে আপনি চাইলেই বিপুল টাকা  কামাতে পারবেন। তার জন্য আপনার একটা কোল্ড স্টোরেজ দরকার হবে। আপনি চাইলে নিজেই নিজের বাসায় তৈরি করে নিতে পারবেন।কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করার সময় আপনাককে ৩ টি বিষয় সম্পর্কে অবশ্যই জানতে হবে।          

  • Temperature 0-4 ℃           
  • Co2 5000-9000 ppm           
  • Humidity (1.5×1.5)(50×50)


এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করতে হবে। তাহলে এখানে আলু, পেঁয়াজ,ফলমূল সবেই সংগ্রহ করা যাবে। এর ইকুপমেন্ট হলো  Normal Spreed ACI,  window, Humiditive Free Metre, বা Humiditive   Control Equipment . বিদ্যুৎ সমস্যা থাকলে সেই ক্ষেত্রে জেনারেটর লাগাতে হবে। না হলে ভিতরে ঠান্ডা হবে না। ভারতের ভ্যাকার নামের এক্তা কোম্পানি mini cold storage তৈরি করেছে। আপনি চাইলে সেখান থেকেও কিনতে পারেন। এভাবে কিছু পদ্ধতি মাথায় রেখে আপনি যে স্টোরেজ তৈরি করলে খুব সহজেই কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারবেন। 

পেঁয়াজ সংগ্রহ করার জন্য তুলার পরে ৫-৬ দিন রেখে দিতে হবে। এতে উপরের পাতাগুলো শুকিয়ে যাবে। পরে শুকনো পাতা ফেলে দিয়ে আরও ৪-৬ দিন রাখতে হবে। এর মধ্যে কিছু পেঁয়াজ পচে যাবে আর কিছু ভালো থাকবে। পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হবে। কারণ ভালো গুলোর সংস্পর্শে এসে পচে যেতে পারে।

বাছাইকৃত ভালো পেঁয়াজ ৭ দিন পর পর উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দিতে হবে। এভাবে আপনি স্টোরেজে রাখতে পারবেন প্রায় ৭-৯ মাস। আপনি নিজে বানিয়ে রাখলে ভালো আর না পারলে সবচেয়ে ভালো হল ভ্যাকার দ্বারা সংরক্ষণ করা। এভাবে আপনি আগের দামের চেয়ে ৪০-৫০ শতাংশ বেশি লাভবান হবেন। এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি ।

এই করোনাকালীন সময়ে মানুষ বাজারে যেতে ভয় পায়। তারা লকডাউন এ বের হয় না। এক্ষেত্রে কেউ যদি তাদের বাড়িতেই কাঁচামাল এনে দেয় তাহলে তারা খুব উপকৃত হয়। তাদের কষ্ট করে বাজারে যেতে হয় না। কারণ একটা কিছু কিনতে গেলে দেখা যায় মাঝে মাঝে পুরো ঢাকার বাজার ঘুরতে হয় আবার অনেকের কাছে এই সময় ও নেই।

এজন্য কেউ তাদেরকে বাজার করে দিলে তারা তাদেরকে অর্ডার দিবে এবং তারা হোমে ডেলিভারির কাজ করে দিলে কাজটা সহজ হবে। এজন্য আপনার একটি ফেসবুক পেইজ লাগবে। যে পেইজ দিয়ে আপনি আপনার ব্যাবসা বাড়াবেন। মানুষের কর্মব্যস্ততা থাকায় তারা এখন প্রায় সব কাজেই মোবাইল দিয়ে ভার্চ্যুয়াললি করে থাকে। তাই হোম ডেলিভারি তাদের জন্য খুবই ফলপ্রসূ।

আবার আপনি এপ্সের মাধ্যমেও এই কাজটি করতে পারবেন। আপনার স্টকে খুব বেশি জিনিস থাকতে হবে না। আপনি প্রথম পর্যায়ে একটি রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে কিছু কাঁচামাল তুলে নিন।  পরে ফেসবুক পেইজ এর মাধ্যমে হোমে ডেলিভারির কাজ শুরু করে দেন। যাদের লাগবে তারা আপনার সাথে কন্টাক্ট করবে।  যখন আবার স্টকের জিনিস শেষ হয়ে যাবে তখন আবার নতুন করে জিনিস তুলবে।

কোয়েল পাখি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি অনেক লাভজনক একটি পেশা। এই পাখি থেকে ডিম ও মাংস পাওয়া যায়। দিনে মাত্র ২-৩ বার খাদ্য দিলেই হয়। পাখির দামও খুব কম। প্রথম বেলা কম পাখি কিনে লালন পালন শুরু করতে হবে। পরে হাতে টাকা হলে আরো পাখি এনে পালন শুরু করলে একসময় একটি খামার তৈরি হয়ে যাবে। খামার বড় হলে ডিম ও মাংস বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।  বর্তমানে এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি । এভাবে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জিনিস ডেলিভারি করা যাবে। 

বর্তমানে মানুষেরা বাসায় পোষা প্রাণী পালনের জন্য খুব আগ্রহী। তারা তাদের বাসায় কবুতর, পাখি, বিড়াল, খরগোশ, বিভিন্ন রঙিন মাছ পালন করে। এগুলো মুলত মানুষ শখে পালন করে। কিন্তু এসবের দোকান দেখা যায় অনেক দূরে দূরে থাকে। ফলে মানুষ সার্ভিসিং ভালো পায় না। এক্ষেত্রে যদ এসবের দোকান দেওয়া যায় তাহলেও লাভবান হওয়া যায়। আবার মাঝে মাঝে যারা এসব প্রাণি লালন পালন করে তারা কোথাও গেলে কোথায় যাবে তা নিয়ে চিন্তিত থাকে। যেমন মানুষ যখন ইদ এর ছুটিতে বারিতে যায় র যাদের ঢাকা এসব প্রাণি আছে তারা এগুলোকে রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আসে।

সেক্ষেত্রে আপনি সেগুলোকে রাখার ব্যাবস্থা করলে তারা আপনার কাছে রেখে যাবে। এতে অনেক লাভ হয়। আবার এর পাশাপাশি আপনি চাইলে প্রাণিদের খাবারের ব্যাবস্থাও কর‍তে পারেন এবং বিক্রি করতে পারেন। এগুলো কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন। এজন্য একটি ফেসবুক পেইজ খুলে নিতে পারেন তাহলে আপনার জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে মানুষ আপনার কথা জানবে।   তাই পোষা প্রাণি রাখা বা এদের খাবারের ব্যাবসার মাধ্যমে আপনি চাইলেই টাকা কামাতে পারবেন এবং এটি অবশ্যই লাভজনক পেশা। বর্তমানে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় ।

এখন দেখা যায় অধিকাংশ মেয়েরাই  গার্ডেনিং করার দিকে ঝুকে পড়েছে। তারা তাদের ছাদে কাজগুলো করে থাকে। আবার তারা সামনে বারান্দায় গাছ লাগায়। বিভিন্ন ধরনের ফুল ও ফল গাছ লাগিয়ে বাসার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আপনি যদি এরকম গাছের একটা নার্সারি তৈরি করে নেন তাহলে এর গ্রাহক পাবেন অনেক। আবার দেখা যায় একটা এলাকায় কাছাকাছি নার্সারি পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে ব্যাবসাটি ভালোই চলবে। বিশেষ করে ঢাকায় এসব ব্যাবসা ভালো হয়। কোয়েল পাখি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি অনেক লাভজনক একটি পেশা।

এই পাখি থেকে ডিম ও মাংস পাওয়া যায়। দিনে মাত্র ২-৩ বার খাদ্য দিলেই হয়। পাখির দামও খুব কম। প্রথম বেলা কম পাখি কিনে লালন পালন শুরু করতে হবে। পরে হাতে টাকা হলে আরো পাখি এনে পালন শুরু করলে একসময় একটি খামার তৈরি হয়ে যাবে। খামার বড় হলে ডিম ও মাংস বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।  বর্তমানে এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি ।

পড়ুনঃ

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার কৌশল।

সহজ উপায়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করুন ।

টিকটক রেফার করে ইনকাম , পাবেন ১০২৪০ টাকা বোনাস ।

আপনি ভিডিও কন্টেইন কর‍তে পারেন। বিভিন্ন ইউটিউবার তারা লাইভে করে থাকে। মাঝে মাঝে দেখা যায় তাদের ভিডিওতে লাইক কমেন্ট কম পরে। তাদের আপনি thumbing করে দিতে পারেন। আপনি যদি ৫ টি ভিউ বাড়িয়ে দেন সে ও আপনি উভয়েই লাভবান হবেন। আবার অনেক নায়ক নায়িকা আছেন যারা সময় পায় না ভিডিও বানানোর বা ভিডিও এর থাম্বনেইল বানানোর তাদের জন্য আপনি ভিডিও বা থাম্বনেইল করে দিতে পারেন। বর্তমানে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় ।

কথাটা শুনে হাসি পেলেও এই কাজ করে এখন অনেক লাভবান হওয়া যায়। বর্তমানে অনেকেই অনেক ভিডিও তৈরি করে থাকেন। এসব ভিডিও তৈরি করার পরে সরাসরি ইউটিউবে না দিয়ে যদি এডিট করা হয় তবে অনেক সুন্দর হয়। অনেক নায়ক নায়িকা বা সেলেব্রিটিদের দেখা যায় ভিডিও তৈরি করতে কিন্তু তারা তাদের সময়ের অভাবে এডিট করতে পারে না বা কিভাবে এডিট করলে সুন্দর হবে সেই সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই।

ফলে তারা ভিডিওতে এডিট করতে পারে না। এইসব ভিডিও ইউটিউবে ছেড়ে ভিউ বা শেয়ার বাড়লেই তারা টাকা কামাতে পারে। আপনি যদি এই কাজে দক্ষ হন তবে তারা অবশ্যই আপনাকে দিয়ে এডিট করাবে ফলে আপনিও একটি অংশ পাবেন। এতে দুইজনেই লাভবান হলেন। আবার আপনি যদি দক্ষ না হন তাহলে কয়েকমাসের কোর্স করে নিতে পারেন। তাহলে আপনার কাজটি সহজ হয়ে যাবে। বর্তমানে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় ।

আপনি আগের যতগুলো ব্যবসা দেখেছেন তাতে একটি কমন বিষয় হলো মোবাইল এ্যাপ বা ওয়েবসাইট।   এগুলো ছাড়া আপনি ব্যাবসা করতে পারবেন না। ওয়েবসাইটের একটু ঝামেলা আছে এজন্য আপনাকে একটি ল্যাপটপ লাগবে নাহলে ভিউ ভালো হবে না। ভিউ ভালো হওয়ার জন্য ল্যাপটপ থাকা জরুরি  কিন্তু সবার পক্ষে ল্যাপটপ কিনা সম্ভব হয় না। তাই আপনার জন্য মোবাইল এ্যাপ ভূমিকা রাখে।

এরকম অনেকগুলো আছে। যেমন freelance. Com এর মাধ্যমে আপনি যকোনো ব্যাবসা করতে পারবেন। এসবের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন জিনিস সেল এর কাজ করতে পারবেন।এতে শুধু আপনার একটা স্মার্টফোনের দরকার হবে।এখানে আপনাকে খুব বেশি সময় ও দিতে হয় না খুব অল্প সময়েই অনেক টাকা কামাতে পারেন। তাই কম খরচ ও সময়ে একটি লাভজনক ব্যাবসা।  

টয়লেট টিস্যু একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। বাসা বাড়ি, বিদ্যালয়  ,  বিয়ে বাড়ি  সব জায়গায় এই টিস্যু ব্যাবহার করা হয়। এটি প্রতিদিনের একটা ব্যাবরিত জিনিস। টিস্যু দিয়েও ব্যাবসা করা যায়। আপনি খুব সহজেই কিছু যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি করতে পারেন। টিস্যু তৈরির জন্য আপনার দরকার ৩ টি জিনিস।      

  • রোলার মেশিন       
  • টিস্যু রোল           
  • কাটার মেশিন

এই ৩ টি মেশিন ছাড়া টিস্যু তৈরি করা যাবে না।রোলারের এক পাশে রোল বসাতে হবে।পরে লম্বা টিস্যু তৈরি হবে সেগুলোকে রোল বলে পরে এগুলোকে কাটার মেশিনে দিয়ে ছোট ছোট করে কাটতে হবে। পরে প্যাকেট করতে হবে ও দোকানে সাপ্লাই দিতে হবে। আপনি বাজারে ২/৩ জন লোক রাখেন সে মার্কেটে সাপ্লাই দিয়ে দিবে। এতে ১ দিনে আপনি ১৫০০ টিস্যু রোল তৈরি করতে পারবেন আর প্রতিটি রোলে ৩-৫ টাকা খরচ হবে। আর আপনি প্রতিটি রোল পাইকারি বাজারে ১২-২৫ টাকায় এবং খুচরা বাজারে ২০-২৫ টাকা বিক্রি করতে পারবেন। তবে অবশ্যই BSTI দ্বারা গুনগত মান পরিক্ষিত হতে হবে।

এখানে আপনি প্রতিটি মেশিন ৩ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন। মেশিন কেনার সময় খরচ একটু বেশি হলেও পরে আপনি খুব তাড়াতাড়ি এর টাকা উঠিয়ে নিতে পারবেন।এই ব্যাবসায় অনেক লাভ আছে কারণ এসব বাজারে বিক্রি করতে গেলে কোনো ব্র‍্যান্ড এর দরকার হয় না। তাই যে জায়গা থেকেই তৈরি হোক না কেন  তা বাজারে চলবেই।

কোয়েল পাখি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি অনেক লাভজনক একটি পেশা। এই পাখি থেকে ডিম ও মাংস পাওয়া যায়। দিনে মাত্র ২-৩ বার খাদ্য দিলেই হয়। পাখির দামও খুব কম। প্রথম বেলা কম পাখি কিনে লালন পালন শুরু করতে হবে। পরে হাতে টাকা হলে আরো পাখি এনে পালন শুরু করলে একসময় একটি খামার তৈরি হয়ে যাবে। খামার বড় হলে ডিম ও মাংস বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।  বর্তমানে এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি ।

বর্তমানে মানুষ চাকরির পাশাপাশি অনেক ব্যাবসাই করে থাকে। এসব ব্যাবসার মধ্যে অন্যতম হলো ১-৯৯ মার্কেট। এই ব্যাবসা সাধারণত বিকালে এবং রাতে ভালো চলে। মানুষ বিকালে ও রাতে কাজ শেষ করে এই মার্কেটে জিনিস কিনতে যায়। যেমন যারা চাকরি করে তারা সারাদিন অফিসে কাজ করে বিকালে বাড়ি ফিরে। তার যদি এমন একটা দোকান থাকে সে অফিস শেষে সেখানে বসতে পারে। যদি প্রতিদিন সে ৩-৪ ঘন্টা সময় দেয় অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবে।

পাশাপাশি যদি একজন হেল্পার রাখা যায় তবে দিনের অন্যান্য সময় সে দোকান দেখাশুনা করতে পারবে। এই দোকানে ১ টাকা থেকে ৯৯ টাকা বা তার বেশি টাকার জিনিসও পাওয়া যায়। বিশেষ করে বাচ্চাদের খেলনা জিনিসের চাহিদা বেশি থাকে এসব দোকানে। তাই বাচ্চাদের জিনিসের প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে হব।  এখানে ব্যাবসার শুরুতে খুব বেশি টাক্স নিয়েও শুরু করতে হয় না। তাই কম পুঁজি হলেও একটা সময়ে একটু শ্রম ও সময় দিলেই খুব বেশি লাভবান হওয়া যায়। 

লাভজনক ব্যাবসার মধ্যে অন্যতম হলো কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার। এখানেও আপনি চাইলেই চাকরির পাশাপাশি কাজ করতে পারবেন। আপনাকে শুধু বিকালে একটু সময় দিলেই হবে। আর আপনার সাহায্যের জন্য একজন দক্ষ অপারেটর রেখে দিন। তাকে মাস শেষে টাকা দিয়ে দিন। ট্রেনিং সেন্টার বড়ল হলে আরও বেশি অপেরাটর রাখেন। তারা সারাদিন আপনার সেন্টার দেখাশুনা করবে আর আপনি বিকালে এসে কিছুক্ষন সময় দিবেন।

সারাদিনের সময়কে একটি একটি করে কয়েকটি ভাগ করে নিন। ২/৩ ঘন্টা করে প্রতিটি শিফটে ট্রেনিং দেন। তারা ভর্তি হওয়ার সময় ও পরে আপনাকে টাকা দিয়ে দিবে। এজন্য আপনার শুধু দরকার হবে কয়েকটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ। এগুলো দিয়ে আপনি অন্যদের প্রশিক্ষন দিবেন। কম সময়ে আপনি এই ব্যাবসায় লাভবান হতে পারবেন।   

কোয়েল পাখি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি অনেক লাভজনক একটি পেশা। এই পাখি থেকে ডিম ও মাংস পাওয়া যায়। দিনে মাত্র ২-৩ বার খাদ্য দিলেই হয়। পাখির দামও খুব কম। প্রথম বেলা কম পাখি কিনে লালন পালন শুরু করতে হবে। পরে হাতে টাকা হলে আরো পাখি এনে পালন শুরু করলে একসময় একটি খামার তৈরি হয়ে যাবে। খামার বড় হলে ডিম ও মাংস বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।  বর্তমানে এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি ।

বর্তমানে অনেক শিক্ষক এবং যারা শিক্ষক নয় কিন্তু কোনো বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী তারা কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারে। তার জন্য কিছু পুঁজি ও একটা প্রতিষ্ঠান দরকার হয়। প্রতিষ্ঠান থাকলে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের এনে ক্লাস করিয়ে  ছাত্রদের কাছ থেকে মাসিক বেতন ও ভর্তি ফরমের মাধ্যমে টাকা পাওয়া যায়। আর শিক্ষদের নির্দিষ্ট একটা এমাউন্ট দিলেই হয়। শিক্ষকদের টাকা দেওয়ার পরেও দেখা যায় অনেক টাকা লাভের খাতায় উঠে যায়।

বর্তমান সময়ে একই সাথে একই জায়গায় মাছ ও হাঁস মুরগির ব্যাবসা একটি লাভজনক ব্যাবসা হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একটি পুকুরের দরকার হয় ও উপরে মাচার দরকার হয়। উপরে মাচায় মুরগী থাকে ও রাতে হাঁস মাচার উপরে ঘরেই থাকে। আর দিনের বেলা নিচের পুকুরে হাঁস থাকে। এতে হাঁস ও মুরগীর বিষ্টা পানিতে পড়ে। ফলে নিচে থাকা মাছ খাদ্য পায়।

এর পাশাপাশি আরও বাড়তি ফিসমিল দিতে হয়। এতে মাছ অনেক তাড়াতাড়ি বড় হয়। আবার উপরের হাঁস মুরগী থেকে ডিম ও মাংস পাওয়া যায় যা বাজারে বিক্রি করে অনেক টাকা পাওয়া যায়। মাছ বড় হলেও বাজারে বিক্রি করা যায়। এভাবে প্রতি শতক মুরগি ও হাঁস থেকে প্রায় ১০০০০ টাকা ও মাছ থেকে প্রায় ২০০০০ টাকা লাভ পাওয়া যায়। তাই কম খরচ করেই অনেক লাভবান হওয়া যায়।

বর্তমানে এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি । দেখা যায় একটা এলাকায় অনেক দূরে একটা বা দুইটা ফার্মেসী থাকে। জরুরি ওষুধ পেতে গেলে অনেক সময় লেগে যায়। বিশেষ করে গ্রামের বাজারে এমন ব্যাবসা দিলে মানুষ উপকৃত হয় ও নিজের লাভ হয়। আবার এর সাথে অভিজ্ঞ  নাক কান বা চোখের ডাক্তার রাখা গেলে তিনি রোগী দেখে এখান থেকেই ওষুধ দিয়ে দিলেও লাভবান হওয়া যায়।

রিচার্জের দোকানে টাকা রিচার্জ করেও টাকা কামানো যায়। এছাড়া এর পাশাপাশি মানি ট্রান্সফারের ব্যাবস্থা থাকলে আর লাভ হয়। মানি ট্রান্সফার করলে ১০০০ টাকায় ১০ টাকা পাওয়া যায়। এরকম প্রতিদিন কত মানুষ আছে যারা টাকা লেনদেন করে এতে অনেক টাকা পাওয়া যায়। আবার ওয়াইফাই এর মাধ্যমেও টাকা ইনকাম করা যায়। অনেক এলাকা আছে যেখানে এখনো এই সুবিধা যায় নি।  এইসব জায়গায় এই সুবিধা প্রদান করলে অনেক লাভ পাওয়া যায়। এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা এর অন্যতম পদ্ধতি ।
 

এর সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। একটা ফেসবুক পেইজ থাকলেই বিভিন্ন কাপড়ের বা প্রসাধনী সামগ্রী সেল করার মাধ্যমে টাকা কামানো যায়। আমরা যদি টি-শার্টের কথা ধরি তাহলে পাইকারি দরে প্রতিটি টি-শার্ট কিনতে ২০০-৩০০ টাকা লাগে অন্যদিকে বিক্রি করার সময় ৬০০-৭০০  টাকায় বিক্রি করা যায়।

উপরের সবগুলো ব্যাবসার মাধ্যমেই আপনি চাইলে আপনার সুবিধামতো কাজ করে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করে টাকা কামাতে পারেন। এতে আপনি চাকরির পাশাপাশি বাড়তি কিছু কাজ করতে পারবেন। ফলে লাভ দ্বিগুণ হবে।   এতে খুব বেশি পুঁজির দরকার হয় না। এগুলোই হল স্বল্প আয়ে লাভজনক পেশা।   

সোর্সঃ বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ইন্টারনেট

Related Articles

Back to top button