শিক্ষাকরোনাভাইরাসবাংলাদেশ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার জোর দাবি এখন সকলের

করোনার সংক্রমণ বাড়ায় সরকার ২৩ জানুয়ারি হতে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে দেশের প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানেই অনলাইন ক্লাস চালু আছে কিন্তু সবাই এর সুবিধা ভোগ করতে পারছে না।

সকলের যথেষ্ট সুযোগ না থাকায় এই ক্লাসের মাধ্যমে পাঠ বুঝে নিতে পারছে না অনেক শিক্ষার্থী। এই দুই সপ্তাহের বন্ধের ঘোষণায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সকল মেলা,পর্যটনকেন্দ্র, রেস্তোরাঁ, শপিং মলে বিধিনিষেধ মেনে চলার নির্দেশনা থাকলেও মানা হচ্ছে না কিছুই।

করোনার শুরু থেকেই বলা হচ্ছে জনসচেতনতা ছাড়া করোনার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বাইরে সংক্রমণ হতে পারে। বারবার মাস্ক ব্যাবহারের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ ঘটছে না।

জাতিসংঘ শিশু তহবিলের পরিচালক ২৮ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে স্কুল খোলা রাখার পরামর্শ দেন। কারণ স্কুল বন্ধ থাকায় সারা বিশ্বে ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি সকল দেশের সরকারকে আহবান জানান যেন এই কোভিড শিশুর পড়াশোনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে। কম পরিসরে হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার কথা বলেন তিনি।

শুধু ইউনিসেফ নয় দেশের ভিতরেও কিছু বিশেষজ্ঞ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। দেশের স্থগিত থাকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিক্ষাগুলো ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উপাচার্য।

তাই এখন সরকারের কাছে সকলের একই দাবি যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আর বাড়ানো না হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button